আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): যুক্তরাষ্ট্রের পার্লামেন্ট কংগ্রেসের অধীন সংস্থা কংগ্রেসনাল রিসার্চ সার্ভিস (সিআরএস)-এর সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে এ তথ্য।
ধ্বংস হওয়া এসব উড়োজাহাজের একটি তালিকা দেওয়া হয়েছে সিআরএসের প্রতিবেদনে। সেটি বিশ্লেষণ করে জানা গেছে, মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি সর্বাধুনিক ও অগ্রসর বিমানও রয়েছে।
ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে প্রায় দেড় দশক দশক ধরে টানাপোড়েন চলার পর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি দেশটিতে নিজের সামারিক অভিযান অপারেশন এপিক ফিউরি শুরু করে মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টকোম। যুদ্ধ চলে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত, অর্থাৎ প্রায় ৪০ দিন। তার পরের দিন ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান।
প্রতিবেদনে ধ্বংস হওয়া ৪২টি উড়োজাহাজের যে তালিকা দিয়েছে সিআরএস, এ তালিকায় রয়েছে ৪টি এফ-১৫ই স্ট্রাইক ঈগল ফাইটার জেট, একটি এফ-৩৫এ লাইটনিং ২ স্টেলথ ফাইটার, একটি এ-১০ থান্ডারবোল্ট ২ অ্যাটাক এয়ারক্র্যাফট, ৭টি কেসি-১৩৫ স্টার্টোট্যাংকার রি-ফুয়েলিং উড়োজাহাজ, একটি ই-৩ সেন্ট্রি এওাকস সার্ভেইলেন্স এয়ারক্রাফট, ২টি এমসি-১৩০ জে কমান্ডো ২ এয়ারক্রাফট স্পেশাল অপারেশন এয়ারক্রাফট, একটি এইচএইচ-৬০ডব্লিউ জলি গ্রিন রেসকিউ হেলিকপ্টার, ২৪টি এমকিউ-৯ রিঅ্যাপেয়ার ড্রোন এবং একটি এমকিউ-৪সি ট্রাইটন হাই-অল্টিচ্যুড সার্ভেইলেন্স ড্রোন।
ধ্বংস হওয়া এসব উড়োজাহাজ এবং বিমানের মূল্য প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলার।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ পরিচালনা করার মূল উদ্দেশ্য ছিল দু’টি—ক্ষমতাসীন ইসলামি প্রজাতন্ত্রী সরকারকে উচ্ছেদ করা এবং ইরানের কাছে যে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়ামের মজুত আছে— তা দখল করা।যুদ্ধের প্রথম দিনই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি সপরিবারে নিহত হন এবং পরবর্তী ৪০ দিনে মৃত্যুবরণ করেন ইরানের প্রথম সারির বেশ কয়েকজন সামরিক-সরকারি কর্মকর্তা ও নেতা।
Your Comment